মাঠের পর মাঠ চোখ ধাঁধানো হলুদ ফুলের সমাহার আর মৌমাছির গুনগুন শব্দের নয়নাভিরাম চিরচেনা সেই অপূর্ব নৈসর্গিক দৃশ্য, যে কারোরই মনকে দোলা দেয়। শীতকাল এলেই দেশের গ্রামাঞ্চলের কম বেশি প্রতিটি মাঠই ভরে যায় হলুদের সমারোহে। সারা দেশের মত রংপুরের বদরগঞ্জও এর ব্যতিক্রম নয়। এ বছর বদরগঞ্জ উপজেলার কৃষকরা সরিষা চাষে ঝুঁকে পড়েছেন। কয়েক বছরের তুলনায় এবার বেশি জমিতে সরিষার চাষও হয়েছে।

বদরগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর ২৩৯০ হেক্টর জমিতে সরিষার চাষ হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় ১৫০হেক্টর বেশি।

বদরগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম জানান, সরিষা ক্ষেতে মৌমাছি পরাগায়নে সহায়তা করে। এতে সরিষার ফলন ও দানা ভালো হয়। প্রতি বছর নভেম্বর মাস থেকে সরিষা ফুল হতে মধু আহরণের প্রক্রিয়া শুরু হয় এবং তা চলে ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত। সারাদেশে সরিষা চাষিদের যদি সরিষা চাষের পাশাপাশি মধু চাষের হাতে কলমে প্রশিক্ষণ দেয়া যায় তাহলে সকল কৃষকই অনেক লাভবান হবে। একটি জমিতে ১০৮টি কাঠের ফ্রেমে প্রতি সপ্তাহে চাষিরা তিন মনের অধিক মধু সংগ্রহ করতে পারে।

বদরগঞ্জ উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা (উদ্ভিদ সংরক্ষণ) কনক চন্দ্র রায় জানান, সরিষা চাষের সঙ্গে মৌচাষ করে কৃষকরা একদিকে যেমন নিজের ভাগ্যের উন্নয়ন করতে পারে অন্যদিকে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে সহযোগিতা করতে পারে।

বদরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা মোঃ জোবাইদুর রহমান মামুন জানান, বদরগঞ্জের কৃষকরা যদি হাতে কলমে প্রশিক্ষণ নিয়ে তাদের সরিষা ক্ষেতে মধু আহরণ করেন তাহলে একই জমি (ফসল) হতে তারা বাড়তি আয় অনায়েসেই করতে পারেন।

Die katzen miauten und machten krach, essay schreiben lassen so viel sie konnten.