২০১৯ সালে জাপানে জন্মগ্রহণ করেছে ৮ লাখ ৬৪ হাজার শিশু। যা ৩০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) দেশটির স্বাস্থ্য, শ্রম ও কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক রিপোর্টে এ তথ্য প্রকাশ পায়।

রিপোর্টটিতে জানানো হয়, ২০১৮ সালে জাপানে ৯ লাখ ১৮ হাজার শিশু জন্মগ্রহণ করে। আর ২০১৯ সালে এর সংখ্যা ৫৪ হাজার কমে ৮ লাখ ৬৪ হাজারে দাঁড়িয়েছে। পরপর চার বছরের মধ্যে কোন বারই জন্মহার এক মিলিয়নে পৌঁছাতে পারেনি। এছাড়া এবছর মৃত্যুহার বেড়েছে বলে জানানো হয় রিপোর্টটিতে। রিপোর্টে জানানো হয় শুধুমাত্র ২০১৯ সালে মারা গেছে ১৩ লাখ ৭৬ হাজার মানুষ।

জাপান একটি বয়স্ক জাতি হিসেবে পরিচিত। দেশটির মোট জনসংখ্যার ২০ শতাংশেরও অধিক জনগণের বয়স ৬৫ বছরের ঊর্ধ্বে। যার ফলে ভবিতষ্যতে কর্মক্ষম লোকের অভাব পড়বে দেশটিতে।

জাপানে বয়সভিত্তিক জনসংখ্যার চার্ট, ছবি: সিএনএন
২০১৮ সালে জাপানে মোট জনগণ ছিলো ১২৪ মিলিয়ন। ধারণা করা হচ্ছে ২০৬৫ সালের মধ্যে যা ৮৮ মিলিয়নে নেমে আসবে।

এদিকে বৃদ্ধ জনসংখ্যা দিক থেকে জাপান একা নয়, জার্মানিকেও সুপার বৃদ্ধ জাতি হিসেবে ডাকা হয়। আর ২০৩০ সালের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সিঙ্গাপুর এবং ফ্রান্স একই কাতারে চলে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জাপানের পার্শ্ববর্তী দেশ দক্ষিণ কোরিয়াও সর্বশেষ কয়েক বছর ধরে একই সমস্যাই ভুগছে। দেশটিতেও বাড়ছে বৃদ্ধ কর্মজীবীদের সংখ্যা। ২০১৮ সালে দেশটিতে সর্বনিম্ন জন্মহার দেখা যায়।

আর ২০৬০ সালের মধ্যে জনসংখ্যা ১০০ মিলিয়নের নিচে নামতে বাঁধা দিতে চান জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজে আবে। যার ফলে ২০১৭ সালে তার সরকার ৩ থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের এবং নিম্ন-আয়ের পরিবারগুলোর শিশুদের বিনামূল্যে পড়াশোনার জন্য ২ ট্রিলিয়ন জাপানি মুদ্রা ইয়েন (১৮ বিলিয়ন ডলার) ব্যয়ের প্যাকেজ ঘোষণা করেছে।

এদিকে, জনসংখ্যা বাড়ানোর জন্য গত বছর দক্ষিণ কোরিয়া সরকার সপ্তাহের কর্মঘণ্টা ৬৮ থেকে কমিয়ে ৫২ ঘণ্টা করেছে। বিশ্লেষকরা ধারণা করছে, পরিবারের সঙ্গে বেশি সময় অতিবাহিত করা হলে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেতে পারে।

Sie kann dort erneut eine masterarbeit schreiben lassen aminosäure binden und sie zu den ribosomen transportieren bachelorarbeit ghostwriter erfahrung.